কুমিল্লা নগরীর ছোটরায় ভাঙা ড্রেনের স্ল্যাবে পড়ে পানিতে ডুবে নিহত ৮ বছর বয়সী মাহফুজা আক্তার স্মৃতির পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক হাজী মোস্তাক নিয়া। মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুরে নগরীর মফিজাবাদ কলোনীতে গিয়ে স্মৃতির বাবা-মায়ের সঙ্গে দেখা করেন তিনি।
শোকাহত পরিবারকে সান্ত্বনা দিতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন প্রশাসক। তিনি বলেন, একটি শিশুর এমন মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। একটা ফ্যাসিবাদী সরকারের দীর্ঘদিনের দূর্নীতির ফল একটি অপরিকল্পিত নগরায়নের কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়৷ এখন, এসমস্যা থেকে উত্তোরণের চেষ্টা করছি আমরা।
তিনি আরও বলেন, আমাদের প্রিয় নেতা ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে আজ আপনাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছি। আমরা দোয়া করি আল্লাহ যেন শিশুটিকে বেহেশত নসিব করেন।
তিনি বলেন, কুমিল্লা নগরী বর্তমানে বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। এভাবে চলতে থাকলে আগামী ৫ বছর এটা একটা পরিত্যক্ত শহর হবে। তাই, আমরা জেলা পরিষদ, সিটি কর্পোরেশন ও নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ মিলে কুমিল্লা নগরীকে বসবাসযোগ্য করে গড়ে তোলার চেষ্টা করবো।
স্মৃতির বাবা-মায়ের হাতে হাত রেখে তিনি যেকোনো প্রয়োজনে পাশে থাকার আশ্বাস দেন। পরে নিহত শিশুর বাবা বিল্লাল হোসেনের হাতে ৫০ হাজার টাকার আর্থিক সহায়তা তুলে দেন।
উল্লেখ্য, গত রোববার (২১ জুন) রাতে কুমিল্লা নগরীর ছোটরা এলাকায় বৃষ্টির পানিতে ঢেকে থাকা একটি ভাঙা ড্রেনের স্ল্যাবে পড়ে পানিতে ডুবে মারা যায় শিশু মাহফুজা আক্তার স্মৃতি।
বিষয় : সহায়তা কুমিল্লা হাজী মোস্তাক মিয়া

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুন ২০২৬
কুমিল্লা নগরীর ছোটরায় ভাঙা ড্রেনের স্ল্যাবে পড়ে পানিতে ডুবে নিহত ৮ বছর বয়সী মাহফুজা আক্তার স্মৃতির পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক হাজী মোস্তাক নিয়া। মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুরে নগরীর মফিজাবাদ কলোনীতে গিয়ে স্মৃতির বাবা-মায়ের সঙ্গে দেখা করেন তিনি।
শোকাহত পরিবারকে সান্ত্বনা দিতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন প্রশাসক। তিনি বলেন, একটি শিশুর এমন মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। একটা ফ্যাসিবাদী সরকারের দীর্ঘদিনের দূর্নীতির ফল একটি অপরিকল্পিত নগরায়নের কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়৷ এখন, এসমস্যা থেকে উত্তোরণের চেষ্টা করছি আমরা।
তিনি আরও বলেন, আমাদের প্রিয় নেতা ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে আজ আপনাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছি। আমরা দোয়া করি আল্লাহ যেন শিশুটিকে বেহেশত নসিব করেন।
তিনি বলেন, কুমিল্লা নগরী বর্তমানে বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। এভাবে চলতে থাকলে আগামী ৫ বছর এটা একটা পরিত্যক্ত শহর হবে। তাই, আমরা জেলা পরিষদ, সিটি কর্পোরেশন ও নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ মিলে কুমিল্লা নগরীকে বসবাসযোগ্য করে গড়ে তোলার চেষ্টা করবো।
স্মৃতির বাবা-মায়ের হাতে হাত রেখে তিনি যেকোনো প্রয়োজনে পাশে থাকার আশ্বাস দেন। পরে নিহত শিশুর বাবা বিল্লাল হোসেনের হাতে ৫০ হাজার টাকার আর্থিক সহায়তা তুলে দেন।
উল্লেখ্য, গত রোববার (২১ জুন) রাতে কুমিল্লা নগরীর ছোটরা এলাকায় বৃষ্টির পানিতে ঢেকে থাকা একটি ভাঙা ড্রেনের স্ল্যাবে পড়ে পানিতে ডুবে মারা যায় শিশু মাহফুজা আক্তার স্মৃতি।

আপনার মতামত লিখুন