বিয়ে ও গায়েহলুদের অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জাঁকজমক ও অপচয় রোধে অতীতে প্রচলিত ‘অতিথি নিয়ন্ত্রণ আইন’ পুনরায় কার্যকর করার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম। জাতীয় সংসদে বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি দাবি করেন, সামাজিক অনুষ্ঠানে অপচয় কমানো গেলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
সোমবার (২২ জুন) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদের অধিবেশনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এ আহ্বান জানান শাহাদাত হোসেন সেলিম।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মিতব্যয়িতার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, অপচয় প্রধানমন্ত্রী পছন্দ করেন না।
শাহাদাত হোসেন সেলিম বলেন, “আমরা সাত সমুদ্র তেরো নদী পাড়ি দিয়ে যখন তাঁর কাছে লন্ডনে যেতাম, তিনি একটি রং চা খাওয়াতেন। কখনো একটি চিপস তিন-চারজন ভাগ করে খেতাম। এখন দেখছি, তাঁর খাদ্য বাজেট মাত্র ১৫০ টাকা। এটা অবশ্যই গ্রহণযোগ্য, কারণ অপচয়কারী শয়তানের ভাই।”
বিয়ে ও গায়েহলুদের অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত ব্যয় এবং কোরিওগ্রাফার দিয়ে নাচের আয়োজনের সমালোচনা করে তিনি বলেন, এসব আয়োজন ধর্মীয় অনুশাসনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
তার ভাষায়, “অতীতে যে অতিথি নিয়ন্ত্রণ আইন ছিল, সেটি কার্যকর করতে হবে। আমরা যদি ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলি, তাহলে মুদ্রাস্ফীতির পরিমাণ কমে আসবে। এক দিনে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম অন্তত ১০ শতাংশ কমে আসবে।”
বক্তব্যে তিনি বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্ব, ব্যয় বৃদ্ধি ও দুর্নীতির সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, প্রকল্প প্রণয়নে ব্যয় নিয়ন্ত্রণ, অনিয়ম রোধ এবং সময়মতো বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা গেলে প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবায়ন সম্ভব।
বিষয় : জাতীয় সংসদ

সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬
বিয়ে ও গায়েহলুদের অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জাঁকজমক ও অপচয় রোধে অতীতে প্রচলিত ‘অতিথি নিয়ন্ত্রণ আইন’ পুনরায় কার্যকর করার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম। জাতীয় সংসদে বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি দাবি করেন, সামাজিক অনুষ্ঠানে অপচয় কমানো গেলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
সোমবার (২২ জুন) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদের অধিবেশনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এ আহ্বান জানান শাহাদাত হোসেন সেলিম।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মিতব্যয়িতার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, অপচয় প্রধানমন্ত্রী পছন্দ করেন না।
শাহাদাত হোসেন সেলিম বলেন, “আমরা সাত সমুদ্র তেরো নদী পাড়ি দিয়ে যখন তাঁর কাছে লন্ডনে যেতাম, তিনি একটি রং চা খাওয়াতেন। কখনো একটি চিপস তিন-চারজন ভাগ করে খেতাম। এখন দেখছি, তাঁর খাদ্য বাজেট মাত্র ১৫০ টাকা। এটা অবশ্যই গ্রহণযোগ্য, কারণ অপচয়কারী শয়তানের ভাই।”
বিয়ে ও গায়েহলুদের অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত ব্যয় এবং কোরিওগ্রাফার দিয়ে নাচের আয়োজনের সমালোচনা করে তিনি বলেন, এসব আয়োজন ধর্মীয় অনুশাসনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
তার ভাষায়, “অতীতে যে অতিথি নিয়ন্ত্রণ আইন ছিল, সেটি কার্যকর করতে হবে। আমরা যদি ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলি, তাহলে মুদ্রাস্ফীতির পরিমাণ কমে আসবে। এক দিনে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম অন্তত ১০ শতাংশ কমে আসবে।”
বক্তব্যে তিনি বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্ব, ব্যয় বৃদ্ধি ও দুর্নীতির সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, প্রকল্প প্রণয়নে ব্যয় নিয়ন্ত্রণ, অনিয়ম রোধ এবং সময়মতো বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা গেলে প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবায়ন সম্ভব।

আপনার মতামত লিখুন