ঢাকা    রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩
কুমিল্লা টেলিকাস্ট

কুমিল্লা

জাঙ্গালিয়া জামে মসজিদ কমিটির সভাপতির প্রতিবাদলিপির বিরুদ্ধে পাল্টা প্রতিবাদ

প্রতিবাদ লিপি

প্রকাশ : ১১ অক্টোবর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
প্রতিবাদ লিপি

কুমিল্লা থেকে প্রকাশিত দৈনিক কুমিল্লার জমিন পত্রিকায় গত ১ অক্টোবর প্রকাশিত জাঙ্গালিয়া জামে মসজিদের জায়গা দখল সংক্রান্ত নিউজের প্রতিবাদে মসজিদ কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব তাজুল ইসলামের বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি আমি হাজেরা খাতুন। কুমিল্লা জেলার আদর্শ সদর উপজেলার ১ নম্বর কালীরবাজার ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা হিসেবে মসজিদ কমিটির বিরুদ্ধে আমার বসতভিটার জমি দখলের চেষ্টার যে অভিযোগ আমি পূর্বে উত্থাপন করেছি, সে বিষয়ে সভাপতির বক্তব্যে উপস্থাপিত বিভিন্ন তথ্যকে অসত্য, বিভ্রান্তিকর ও প্রকৃত ঘটনার সঙ্গে অসংগত বলে মনে করছি। প্রকৃত ঘটনা জনসমক্ষে তুলে ধরার স্বার্থে তাঁর বক্তব্যের বিপরীতে আমার অবস্থান ও সংশ্লিষ্ট তথ্য তুলে ধরছি।

প্রথমত, জমির ওয়াকফ দলিলের সাল সম্পর্কে সভাপতির বক্তব্য সঠিক নয়। তিনি দাবি করেছেন, হাজী নেয়ামত খান সরদার ১৯৮১ সালে মসজিদের জন্য জমি ওয়াকফ করে দিয়েছিলেন। কিন্তু আমার সংরক্ষিত দলিল অনুযায়ী, ১৯৭৬ সালের ১৬ মার্চ হাজী নেয়ামত খান সরদার তাঁর খরিদা ১৬ শতক জমির পূর্বাংশ থেকে সাড়ে ৯ শতক জমি ওয়াকফ দলিলমূলে দান করেন। তাই ওয়াকফ দলিলের তারিখ, জমির পরিমাণ ও অবস্থান নির্ধারণের ক্ষেত্রে মূল দলিল এবং সংশ্লিষ্ট ভূমি রেকর্ড যাচাই করা জরুরি। বি.এস. জরিপে সাড়ে ১০ শতক জমি দেখানোর যে বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, তারও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমার দাবি, মূল দলিল ও ভূমি রেকর্ড পর্যালোচনা করলেই জমির প্রকৃত পরিমাণ ও অবস্থান সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।

দ্বিতীয়ত, মসজিদ নির্মাণের জন্য জমিতে যেতে গিয়ে হাজী নেয়ামত খানের ওয়ারিশরা মামলা করেছেন বলে সভাপতি যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে আমি মনে করি। আমার অভিযোগ, মসজিদ কমিটির লোকজন ওয়াকফ দলিলে উল্লেখিত পূর্বাংশের জমিতে না গিয়ে আমার বসতঘরের পশ্চিম ও উত্তর পাশে জমি দখলের চেষ্টা করেন। এ সময় তাঁরা আমার ঘরের সামনে বাঁশের বেড়াও দেন। পরবর্তী সময়ে বসতভিটার অংশে টিনের বেড়া দেওয়া এবং গাছপালা কেটে ফেলার ঘটনাও ঘটে বলে আমার অভিযোগ। এসব ঘটনার পর আমি এলাকাবাসীকে বিষয়টি জানাই। সভাপতির বক্তব্যে দাবি করা হয়েছে, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সরকারি সার্ভেয়ারের উপস্থিতিতে উভয় পক্ষকে সামনে রেখে বি.এস. রেকর্ড অনুযায়ী জমি পরিমাপ করা হয়েছে। কিন্তু এ বক্তব্যের সঙ্গে আমার অভিজ্ঞতার মিল নেই। এ-সংক্রান্ত ভিডিও ফুটেজও আমার কাছে রয়েছে। তাই সংশ্লিষ্ট দলিল, ভূমি রেকর্ড, জমির সীমানা এবং ভিডিও ফুটেজ যাচাই করে প্রকৃত ঘটনা নির্ধারণের দাবি জানাচ্ছি।

তৃতীয়ত, জমির বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য স্থানীয় পর্যায়েও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। মসজিদ কমিটির বর্তমান সভাপতি আলহাজ্ব তাজুল ইসলামের বড় ভাই ও সাবেক চেয়ারম্যান আলী আহমদ জীবিত থাকাকালে তাঁকে বিষয়টি জানানো হয়। তখন তিনি দলিলে উল্লেখিত জমির পূর্বাংশে যাওয়ার বিষয়ে একটি সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন। কিন্তু গ্রামের কয়েকজনের বিরোধিতার কারণে সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তী সময়ে সাবেক চেয়ারম্যান নিজেই আমাদের আদালতের আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেন। তিনি বলেছিলেন, গ্রামের মানুষ তাঁর কথা শুনছে না। তাই মামলা করে আদালতে কাগজপত্র উপস্থাপন করতে। আদালত দলিল ও কাগজপত্র যাচাই করে যে সিদ্ধান্ত দেবেন, সেটিই সঠিক হবে। তাঁর পরামর্শেই আমরা মামলা করতে বাধ্য হই। আমার বক্তব্য, আদালতের আশ্রয় নেওয়ার উদ্দেশ্য ছিল জমির প্রকৃত মালিকানা ও সীমানা নির্ধারণ করা, কোনো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের বিরোধিতা করা নয়।

চতুর্থত, দীর্ঘ ১০ বছর মামলা চালানোর পর রায়ের সময় আমি মামলা প্রত্যাহার করে নিয়েছি বলে সভাপতি যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা সম্পূর্ণ অসত্য। আমি হাজেরা খাতুন নিজেই দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে মামলাটি পরিচালনা করেছি। আমার অভিযোগ, মসজিদ কমিটির সভাপতি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আদালতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উপস্থাপন করতে না পেরে বারবার সময় নিয়েছেন। এতে মামলার কার্যক্রম দীর্ঘায়িত হয়েছে। মামলা এগিয়ে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ায় আমাদের আইনজীবী একই জমিসংক্রান্ত আরেকটি বাটোয়ারা মামলার বিষয়টিও বিবেচনায় নেন।

একই জমি নিয়ে আরেকটি বাটোয়ারা মামলা প্রায় চার বছর ধরে চলমান রয়েছে। ওই মামলাতেও মসজিদ কমিটির সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। কিন্তু সেখানেও মসজিদ কমিটি ও সভাপতি যথাযথ জবাব দিচ্ছেন না। পরবর্তী সময়ে আমি আদালতে উপস্থিত হয়ে একই জমিসংক্রান্ত দুটি মামলা একত্রে পরিচালনার আবেদন জানাই। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেন। বর্তমানে মামলাটি দেওয়ানি মোকদ্দমা নম্বর ২৯৫/২০২৩ হিসেবে চলমান রয়েছে। তাই মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে সভাপতির দাবি সঠিক নয়। 

আমি আবারও স্পষ্ট করে বলতে চাই, কোনো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের বিরোধিতা করা আমার উদ্দেশ্য নয়। বরং মসজিদের জন্য ওয়াকফ করা জমিতে মসজিদ নির্মাণের পক্ষেই আমার অবস্থান। তবে ওয়াকফ দলিলে যে জমির কথা উল্লেখ রয়েছে, মসজিদ নির্মাণের কাজ সেই জমির সঠিক সীমানার মধ্যেই হওয়া উচিত। ওয়াকফ করা জমির সীমানা নির্ধারণ না করে কারও বসতভিটা বা ব্যক্তিগত মালিকানাধীন জমি দখলের চেষ্টা করা কোনোভাবেই কাম্য নয়। 

পরিশেষে, দৈনিক কুমিল্লার জমিন পত্রিকায় প্রকাশিত জাঙ্গালিয়া জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব তাজুল ইসলামের বক্তব্যের যেসব অংশকে আমি অসত্য, মনগড়া ও বিভ্রান্তিকর বলে মনে করছি, তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমি এ বিষয়ে সরকার ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

 

প্রতিবাদকারী: হাজেরা খাতুনঠিকানা: গ্রাম- জাঙ্গালিয়া, ৯ নং ওয়ার্ড, ১ নং কালীরবাজার ইউনিয়ন, আদর্শ সদর, কুমিল্লা।

আপনার মতামত লিখুন

কুমিল্লা টেলিকাস্ট

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬


প্রতিবাদ লিপি

প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

কুমিল্লা থেকে প্রকাশিত দৈনিক কুমিল্লার জমিন পত্রিকায় গত ১ অক্টোবর প্রকাশিত জাঙ্গালিয়া জামে মসজিদের জায়গা দখল সংক্রান্ত নিউজের প্রতিবাদে মসজিদ কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব তাজুল ইসলামের বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি আমি হাজেরা খাতুন। কুমিল্লা জেলার আদর্শ সদর উপজেলার ১ নম্বর কালীরবাজার ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা হিসেবে মসজিদ কমিটির বিরুদ্ধে আমার বসতভিটার জমি দখলের চেষ্টার যে অভিযোগ আমি পূর্বে উত্থাপন করেছি, সে বিষয়ে সভাপতির বক্তব্যে উপস্থাপিত বিভিন্ন তথ্যকে অসত্য, বিভ্রান্তিকর ও প্রকৃত ঘটনার সঙ্গে অসংগত বলে মনে করছি। প্রকৃত ঘটনা জনসমক্ষে তুলে ধরার স্বার্থে তাঁর বক্তব্যের বিপরীতে আমার অবস্থান ও সংশ্লিষ্ট তথ্য তুলে ধরছি।


প্রথমত, জমির ওয়াকফ দলিলের সাল সম্পর্কে সভাপতির বক্তব্য সঠিক নয়। তিনি দাবি করেছেন, হাজী নেয়ামত খান সরদার ১৯৮১ সালে মসজিদের জন্য জমি ওয়াকফ করে দিয়েছিলেন। কিন্তু আমার সংরক্ষিত দলিল অনুযায়ী, ১৯৭৬ সালের ১৬ মার্চ হাজী নেয়ামত খান সরদার তাঁর খরিদা ১৬ শতক জমির পূর্বাংশ থেকে সাড়ে ৯ শতক জমি ওয়াকফ দলিলমূলে দান করেন। তাই ওয়াকফ দলিলের তারিখ, জমির পরিমাণ ও অবস্থান নির্ধারণের ক্ষেত্রে মূল দলিল এবং সংশ্লিষ্ট ভূমি রেকর্ড যাচাই করা জরুরি। বি.এস. জরিপে সাড়ে ১০ শতক জমি দেখানোর যে বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, তারও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমার দাবি, মূল দলিল ও ভূমি রেকর্ড পর্যালোচনা করলেই জমির প্রকৃত পরিমাণ ও অবস্থান সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।


দ্বিতীয়ত, মসজিদ নির্মাণের জন্য জমিতে যেতে গিয়ে হাজী নেয়ামত খানের ওয়ারিশরা মামলা করেছেন বলে সভাপতি যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে আমি মনে করি। আমার অভিযোগ, মসজিদ কমিটির লোকজন ওয়াকফ দলিলে উল্লেখিত পূর্বাংশের জমিতে না গিয়ে আমার বসতঘরের পশ্চিম ও উত্তর পাশে জমি দখলের চেষ্টা করেন। এ সময় তাঁরা আমার ঘরের সামনে বাঁশের বেড়াও দেন। পরবর্তী সময়ে বসতভিটার অংশে টিনের বেড়া দেওয়া এবং গাছপালা কেটে ফেলার ঘটনাও ঘটে বলে আমার অভিযোগ। এসব ঘটনার পর আমি এলাকাবাসীকে বিষয়টি জানাই। সভাপতির বক্তব্যে দাবি করা হয়েছে, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সরকারি সার্ভেয়ারের উপস্থিতিতে উভয় পক্ষকে সামনে রেখে বি.এস. রেকর্ড অনুযায়ী জমি পরিমাপ করা হয়েছে। কিন্তু এ বক্তব্যের সঙ্গে আমার অভিজ্ঞতার মিল নেই। এ-সংক্রান্ত ভিডিও ফুটেজও আমার কাছে রয়েছে। তাই সংশ্লিষ্ট দলিল, ভূমি রেকর্ড, জমির সীমানা এবং ভিডিও ফুটেজ যাচাই করে প্রকৃত ঘটনা নির্ধারণের দাবি জানাচ্ছি।


তৃতীয়ত, জমির বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য স্থানীয় পর্যায়েও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। মসজিদ কমিটির বর্তমান সভাপতি আলহাজ্ব তাজুল ইসলামের বড় ভাই ও সাবেক চেয়ারম্যান আলী আহমদ জীবিত থাকাকালে তাঁকে বিষয়টি জানানো হয়। তখন তিনি দলিলে উল্লেখিত জমির পূর্বাংশে যাওয়ার বিষয়ে একটি সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন। কিন্তু গ্রামের কয়েকজনের বিরোধিতার কারণে সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তী সময়ে সাবেক চেয়ারম্যান নিজেই আমাদের আদালতের আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেন। তিনি বলেছিলেন, গ্রামের মানুষ তাঁর কথা শুনছে না। তাই মামলা করে আদালতে কাগজপত্র উপস্থাপন করতে। আদালত দলিল ও কাগজপত্র যাচাই করে যে সিদ্ধান্ত দেবেন, সেটিই সঠিক হবে। তাঁর পরামর্শেই আমরা মামলা করতে বাধ্য হই। আমার বক্তব্য, আদালতের আশ্রয় নেওয়ার উদ্দেশ্য ছিল জমির প্রকৃত মালিকানা ও সীমানা নির্ধারণ করা, কোনো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের বিরোধিতা করা নয়।


চতুর্থত, দীর্ঘ ১০ বছর মামলা চালানোর পর রায়ের সময় আমি মামলা প্রত্যাহার করে নিয়েছি বলে সভাপতি যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা সম্পূর্ণ অসত্য। আমি হাজেরা খাতুন নিজেই দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে মামলাটি পরিচালনা করেছি। আমার অভিযোগ, মসজিদ কমিটির সভাপতি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আদালতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উপস্থাপন করতে না পেরে বারবার সময় নিয়েছেন। এতে মামলার কার্যক্রম দীর্ঘায়িত হয়েছে। মামলা এগিয়ে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ায় আমাদের আইনজীবী একই জমিসংক্রান্ত আরেকটি বাটোয়ারা মামলার বিষয়টিও বিবেচনায় নেন।


একই জমি নিয়ে আরেকটি বাটোয়ারা মামলা প্রায় চার বছর ধরে চলমান রয়েছে। ওই মামলাতেও মসজিদ কমিটির সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। কিন্তু সেখানেও মসজিদ কমিটি ও সভাপতি যথাযথ জবাব দিচ্ছেন না। পরবর্তী সময়ে আমি আদালতে উপস্থিত হয়ে একই জমিসংক্রান্ত দুটি মামলা একত্রে পরিচালনার আবেদন জানাই। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেন। বর্তমানে মামলাটি দেওয়ানি মোকদ্দমা নম্বর ২৯৫/২০২৩ হিসেবে চলমান রয়েছে। তাই মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে সভাপতির দাবি সঠিক নয়। 


আমি আবারও স্পষ্ট করে বলতে চাই, কোনো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের বিরোধিতা করা আমার উদ্দেশ্য নয়। বরং মসজিদের জন্য ওয়াকফ করা জমিতে মসজিদ নির্মাণের পক্ষেই আমার অবস্থান। তবে ওয়াকফ দলিলে যে জমির কথা উল্লেখ রয়েছে, মসজিদ নির্মাণের কাজ সেই জমির সঠিক সীমানার মধ্যেই হওয়া উচিত। ওয়াকফ করা জমির সীমানা নির্ধারণ না করে কারও বসতভিটা বা ব্যক্তিগত মালিকানাধীন জমি দখলের চেষ্টা করা কোনোভাবেই কাম্য নয়। 


পরিশেষে, দৈনিক কুমিল্লার জমিন পত্রিকায় প্রকাশিত জাঙ্গালিয়া জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব তাজুল ইসলামের বক্তব্যের যেসব অংশকে আমি অসত্য, মনগড়া ও বিভ্রান্তিকর বলে মনে করছি, তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমি এ বিষয়ে সরকার ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

 

প্রতিবাদকারী: হাজেরা খাতুনঠিকানা: গ্রাম- জাঙ্গালিয়া, ৯ নং ওয়ার্ড, ১ নং কালীরবাজার ইউনিয়ন, আদর্শ সদর, কুমিল্লা।


কুমিল্লা টেলিকাস্ট


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রতিবাদ লিপি
0:00 0:00
1.0x