ঢাকা    বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩
কুমিল্লা টেলিকাস্ট

কুমিল্লা

অপহরণ ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা সাংবাদিক শুভ্রের, মানবাধিকার কমিশনে আবেদন

অপহরণ ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা সাংবাদিক শুভ্রের, মানবাধিকার কমিশনে আবেদন

কুমিল্লার একজন পেশাদার সাংবাদিক ও শিক্ষানবিশ আইনজীবী মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের কাছে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করে লিখিত আবেদন করেছেন। আবেদনে তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্র তার বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা মামলা, অপপ্রচার, চাঁদাবাজি, অপহরণের চেষ্টা, প্রাণনাশের হুমকি এবং বিভিন্ন ধরনের হয়রানিমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে।

মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যানের কাছে দাখিল করা আবেদনে মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র উল্লেখ করেন, তিনি জাতীয় প্রকাশনা হিউম্যান রাইটস নিউজ, বাংলা নিউজ, বাংলা এফএম এবং বিভিন্ন অনলাইন সংবাদমাধ্যমের একজন পেশাদার সাংবাদিক। তার দাবি, ২০১৭ সালের ১৫ জানুয়ারি থেকে তাকে উদ্দেশ্য করে ধারাবাহিকভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার, মিথ্যা মামলা, মিথ্যা গ্রেপ্তার এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ানা সংক্রান্ত গুজব ছড়ানো হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ডের কারণে তিনি দীর্ঘদিন ধরে মানসিক, সামাজিক ও পেশাগতভাবে চরম ক্ষতির শিকার হচ্ছেন।

আবেদনে আরও বলা হয়, সম্প্রতি প্রশাসনের সদস্য পরিচয়ে ৮ থেকে ১০ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল ৪ থেকে ৫টি নম্বরবিহীন মোটরসাইকেলে হেলমেট পরে তার গতিবিধি অনুসরণ করছে এবং তার কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করছে। অভিযোগ অনুযায়ী, চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার বিরুদ্ধে নতুন করে মিথ্যা মামলা দায়ের, গুম এবং হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

এ ধরনের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি কুমিল্লা কোতোয়ালী মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। জি.আর. মামলা নং-৪১(৮৫০)/২০২৪, তারিখ ১৪ নভেম্বর ২০২৪-এ দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় মামলাটি রুজু হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট আদালত নামীয় ও অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন এবং বিচার কার্যক্রমে বিঘ্ন সৃষ্টি না করা ও সব ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেন। 

তবে আবেদনকারীর অভিযোগ, আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও আসামিরা তাকে, তার পরিবার এবং মামলার সাক্ষীদের নিয়মিত ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার, মানহানি, অপহরণের চেষ্টা, চাঁদা দাবি এবং প্রাণনাশের হুমকিও অব্যাহত রয়েছে।

আবেদনে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, প্রশাসনের পরিচয় ব্যবহার করে প্রতারণাকারী একটি সংঘবদ্ধ চক্র তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে। এসব কর্মকাণ্ডের মধ্যে অস্ত্রসহ হামলা, অপহরণের চেষ্টা, বাড়ির সামনে কাফনের কাপড় রেখে আতঙ্ক সৃষ্টি, গোপন ক্যামেরা স্থাপনের চেষ্টা এবং মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকার ব্যবহার করে নজরদারি চালানোর ঘটনাও রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র আরও উল্লেখ করেন, জি.আর. মামলা দায়েরের পর অভিযুক্তরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে এবং তার সাংবাদিকতার পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা সৃষ্টি করতে থাকে। পাশাপাশি তার ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সুনাম ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে একের পর এক মিথ্যা মামলা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে বিচারিক কার্যক্রমকে প্রভাবিত করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

আবেদনে বলা হয়েছে, এক হামলার ঘটনায় তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন, সাংবাদিকতায় ব্যবহৃত ডিজিটাল ক্যামেরা এবং নগদ অর্থ লুট করা হয়। এ ঘটনায় দায়ের করা ডাকাতি মামলার এফআইআর নং-৫১, জি.আর. নং-৮১২, তারিখ ১৬ অক্টোবর ২০২৫ হলেও এখনও পর্যন্ত কোনো আসামি গ্রেপ্তার হয়নি এবং লুট হওয়া মালামালও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। আবেদনকারী উল্লেখ করেন, উভয় মামলাই আমলযোগ্য ও অজামিনযোগ্য হওয়ায় তিনি দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তার এবং তদন্ত সম্পন্ন করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের দাবি জানিয়েছেন।

এর পাশাপাশি কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালত-১ এ সি.আর. মামলা নং-৬১৫/২০২৬, তারিখ ১৬ এপ্রিল ২০২৬ রুজু হয়েছে। মামলাটি দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় তদন্তের জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

আবেদনে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশ পুলিশ সদর দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দাখিলের পর আইজিপির অভিযোগ সেল ১২ মার্চ ২০২৬ তারিখে কুমিল্লার পুলিশ সুপারকে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয়। পরে ২৪ মার্চ ২০২৬ তারিখে পুলিশ সুপার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) এবং কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জকে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করেন।

সর্বশেষ ঘটনায় আবেদনকারী দাবি করেন, তার করা জিডি নং-১৬৫৯, তারিখ ২৩ জুন ২০২৬-এর পরদিন ২৪ জুন বিকেল ৩টার দিকে মামলার আসামিরা ছদ্মবেশে মোটরসাইকেল ও একটি গাড়ি নিয়ে তার বাড়ির আশপাশে অবস্থান করে এবং বাড়িতে প্রবেশের চেষ্টা করে। তার বিশ্বাস, অভিযুক্তরা এখনও তাকে ও তার পরিবারকে ক্ষতিগ্রস্ত করা এবং বাড়িটি অবৈধভাবে দখলের উদ্দেশ্যে এলাকায় ঘোরাফেরা করছে। এ ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষিত রয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন। একই সময়ে জি.আর. মামলার তিনজন আসামিকেও ঘটনাস্থলে দেখা গেছে বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের কাছে বিষয়টি মানবিক ও আইনগত দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি কমিশনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ পদক্ষেপ, চলমান মামলাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং সার্বিক বিষয়ে কমিশনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন

কুমিল্লা টেলিকাস্ট

বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬


অপহরণ ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা সাংবাদিক শুভ্রের, মানবাধিকার কমিশনে আবেদন

প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুলাই ২০২৬

featured Image



কুমিল্লার একজন পেশাদার সাংবাদিক ও শিক্ষানবিশ আইনজীবী মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের কাছে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করে লিখিত আবেদন করেছেন। আবেদনে তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্র তার বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা মামলা, অপপ্রচার, চাঁদাবাজি, অপহরণের চেষ্টা, প্রাণনাশের হুমকি এবং বিভিন্ন ধরনের হয়রানিমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে।


মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যানের কাছে দাখিল করা আবেদনে মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র উল্লেখ করেন, তিনি জাতীয় প্রকাশনা হিউম্যান রাইটস নিউজ, বাংলা নিউজ, বাংলা এফএম এবং বিভিন্ন অনলাইন সংবাদমাধ্যমের একজন পেশাদার সাংবাদিক। তার দাবি, ২০১৭ সালের ১৫ জানুয়ারি থেকে তাকে উদ্দেশ্য করে ধারাবাহিকভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার, মিথ্যা মামলা, মিথ্যা গ্রেপ্তার এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ানা সংক্রান্ত গুজব ছড়ানো হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ডের কারণে তিনি দীর্ঘদিন ধরে মানসিক, সামাজিক ও পেশাগতভাবে চরম ক্ষতির শিকার হচ্ছেন।


আবেদনে আরও বলা হয়, সম্প্রতি প্রশাসনের সদস্য পরিচয়ে ৮ থেকে ১০ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল ৪ থেকে ৫টি নম্বরবিহীন মোটরসাইকেলে হেলমেট পরে তার গতিবিধি অনুসরণ করছে এবং তার কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করছে। অভিযোগ অনুযায়ী, চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার বিরুদ্ধে নতুন করে মিথ্যা মামলা দায়ের, গুম এবং হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।


এ ধরনের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি কুমিল্লা কোতোয়ালী মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। জি.আর. মামলা নং-৪১(৮৫০)/২০২৪, তারিখ ১৪ নভেম্বর ২০২৪-এ দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় মামলাটি রুজু হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট আদালত নামীয় ও অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন এবং বিচার কার্যক্রমে বিঘ্ন সৃষ্টি না করা ও সব ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেন। 


তবে আবেদনকারীর অভিযোগ, আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও আসামিরা তাকে, তার পরিবার এবং মামলার সাক্ষীদের নিয়মিত ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার, মানহানি, অপহরণের চেষ্টা, চাঁদা দাবি এবং প্রাণনাশের হুমকিও অব্যাহত রয়েছে।

আবেদনে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, প্রশাসনের পরিচয় ব্যবহার করে প্রতারণাকারী একটি সংঘবদ্ধ চক্র তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে। এসব কর্মকাণ্ডের মধ্যে অস্ত্রসহ হামলা, অপহরণের চেষ্টা, বাড়ির সামনে কাফনের কাপড় রেখে আতঙ্ক সৃষ্টি, গোপন ক্যামেরা স্থাপনের চেষ্টা এবং মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকার ব্যবহার করে নজরদারি চালানোর ঘটনাও রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।


মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র আরও উল্লেখ করেন, জি.আর. মামলা দায়েরের পর অভিযুক্তরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে এবং তার সাংবাদিকতার পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা সৃষ্টি করতে থাকে। পাশাপাশি তার ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সুনাম ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে একের পর এক মিথ্যা মামলা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে বিচারিক কার্যক্রমকে প্রভাবিত করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।


আবেদনে বলা হয়েছে, এক হামলার ঘটনায় তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন, সাংবাদিকতায় ব্যবহৃত ডিজিটাল ক্যামেরা এবং নগদ অর্থ লুট করা হয়। এ ঘটনায় দায়ের করা ডাকাতি মামলার এফআইআর নং-৫১, জি.আর. নং-৮১২, তারিখ ১৬ অক্টোবর ২০২৫ হলেও এখনও পর্যন্ত কোনো আসামি গ্রেপ্তার হয়নি এবং লুট হওয়া মালামালও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। আবেদনকারী উল্লেখ করেন, উভয় মামলাই আমলযোগ্য ও অজামিনযোগ্য হওয়ায় তিনি দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তার এবং তদন্ত সম্পন্ন করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের দাবি জানিয়েছেন।


এর পাশাপাশি কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালত-১ এ সি.আর. মামলা নং-৬১৫/২০২৬, তারিখ ১৬ এপ্রিল ২০২৬ রুজু হয়েছে। মামলাটি দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় তদন্তের জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

আবেদনে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশ পুলিশ সদর দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দাখিলের পর আইজিপির অভিযোগ সেল ১২ মার্চ ২০২৬ তারিখে কুমিল্লার পুলিশ সুপারকে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয়। পরে ২৪ মার্চ ২০২৬ তারিখে পুলিশ সুপার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) এবং কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জকে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করেন।


সর্বশেষ ঘটনায় আবেদনকারী দাবি করেন, তার করা জিডি নং-১৬৫৯, তারিখ ২৩ জুন ২০২৬-এর পরদিন ২৪ জুন বিকেল ৩টার দিকে মামলার আসামিরা ছদ্মবেশে মোটরসাইকেল ও একটি গাড়ি নিয়ে তার বাড়ির আশপাশে অবস্থান করে এবং বাড়িতে প্রবেশের চেষ্টা করে। তার বিশ্বাস, অভিযুক্তরা এখনও তাকে ও তার পরিবারকে ক্ষতিগ্রস্ত করা এবং বাড়িটি অবৈধভাবে দখলের উদ্দেশ্যে এলাকায় ঘোরাফেরা করছে। এ ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষিত রয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন। একই সময়ে জি.আর. মামলার তিনজন আসামিকেও ঘটনাস্থলে দেখা গেছে বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের কাছে বিষয়টি মানবিক ও আইনগত দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি কমিশনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ পদক্ষেপ, চলমান মামলাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং সার্বিক বিষয়ে কমিশনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।


কুমিল্লা টেলিকাস্ট


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
অপহরণ ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা সাংবাদিক শুভ্রের, মানবাধিকার কমিশনে আবেদন
0:00 0:00
1.0x